মোবাইলের তেজস্ক্রিয়া নিয়ে আবারও গবেষণা করবে যুক্তরাষ্ট্র
যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য ও মানবসেবা বিভাগ মোবাইল ফোন থেকে বিকিরণ সম্পর্কিত একটি নতুন গবেষণা শুরু করতে যাচ্ছে। এই পদক্ষেপ এসেছে সেক্রেটারি রবার্ট এফ কেনেডি জুনিয়রের মন্তব্যের পর, যেখানে তিনি মোবাইল ফোনের বিকিরণকে স্নায়ুবিক সমস্যা এবং ক্যান্সারের সঙ্গে যুক্ত করেছেন।
গত বছর যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য ও মানবসেবা বিভাগ জানিয়েছিল যে, ২২টি রাজ্যে স্কুলে মোবাইল ফোন ব্যবহারের ওপর সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হয়েছে, যাতে শিশুদের মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্য উন্নত করা যায়। এটি ছিল ‘মেক আমেরিকা হেলদি এগেইন’ আন্দোলনের অংশ।

যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন পুরনো ওয়েবপেজ সরিয়ে নিয়েছে, যেখানে বলা হয়েছিল মোবাইল ফোন বিপজ্জনক নয়। স্বাস্থ্য বিভাগের মুখপাত্র অ্যান্ড্রু নিক্সন জানিয়েছেন, গবেষণার মাধ্যমে বৈদ্যুতচুম্বকীয় বিকিরণ ও স্বাস্থ্য সম্পর্কিত নতুন তথ্য বের করা হবে এবং নতুন প্রযুক্তির প্রভাব মূল্যায়ন করা হবে।
নতুন গবেষণা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এমএএইচএ কমিশনের কৌশলগত রিপোর্ট অনুসারে পরিচালিত হচ্ছে। তবে, এখন পর্যন্ত ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন এবং রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র বলছে, মোবাইল ফোনের বিকিরণ থেকে স্বাস্থ্য সমস্যার কোনো বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
জাতীয় ক্যান্সার ইনস্টিটিউট জানিয়েছে, ‘এখন পর্যন্ত প্রমাণ নির্দেশ করছে যে, মোবাইল ফোন ব্যবহার মানুষের মস্তিষ্ক বা অন্যান্য ক্যান্সার ঘটায় না।’
এই গবেষণার মাধ্যমে আশা করা হচ্ছে মোবাইল ফোন ব্যবহার এবং স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি সম্পর্কিত বিষয়গুলো আরও স্পষ্ট হবে, এবং জনগণের জন্য নিরাপদ ব্যবহারের নির্দেশনা তৈরি করা সম্ভব হবে।
সূত্র : রয়টার্স