যে কারণে তিন বছর পর এক্সে ফের সক্রিয় জাকারবার্গ

TechWorld Desk

টেকওয়ার্ল্ড ডেস্ক

রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭:৫৪

যে কারণে তিন বছর পর এক্সে ফের সক্রিয় জাকারবার্গ
ছবি: সংগৃহীত

তিন বছর বিরতির পর ২০২৬ সালে ইলন মাস্কের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) আবার সক্রিয় হয়েছেন ফেসবুকের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও মেটার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মার্ক জাকারবার্গ। মেটার নিজস্ব প্ল্যাটফর্ম থ্রেডস থাকা সত্ত্বেও এআই প্রকৌশলী ও গবেষকদের কাছে পৌঁছাতে এক্সে নিয়মিত পোস্ট করছেন তিনি।

প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট টেকক্রাঞ্চের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মিউজ স্পার্ক ১.১ নামের এআই মডেলের খবর জানাতে জাকারবার্গ প্রথম এক্সে ফিরে পোস্ট করেন। এরপর থেকে প্ল্যাটফর্মটিতে নিয়মিত সক্রিয় রয়েছেন তিনি।

গত ৯ সেপ্টেম্বর এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জাকারবার্গ মিউজ নামের ব্যক্তিগত এআই এজেন্টের পরিচয় দেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, মিউজ ব্যবহারকারীর লক্ষ্য বুঝে ২৪ ঘণ্টা কাজ করতে পারে।

এক পডকাস্টে জাকারবার্গকে প্রশ্ন করা হয়, মেটার নিজস্ব প্ল্যাটফর্ম থ্রেডস থাকার পরও কেন তিনি প্রতিদ্বন্দ্বী এক্সে নিয়মিত পোস্ট করেন। জবাবে তিনি বলেন, নির্দিষ্ট কিছু প্রকৌশলী ও গবেষকের কাছে পৌঁছানোই এর অন্যতম কারণ। এআই ও মেশিন লার্নিং নিয়ে কাজ করা অনেক গবেষক এখনো এক্সে সক্রিয় এবং সেখানে নিয়মিত যোগাযোগ করেন।

জাকারবার্গ বলেন, অনলাইনের বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের কমিউনিটি গড়ে উঠেছে। তাই কোনো একটি প্ল্যাটফর্মে ভালো উপস্থিতি থাকলেই অন্য জায়গাগুলোতে থাকা মানুষের কাছে পৌঁছানো যায় না। এ কারণে থ্রেডসের পাশাপাশি এক্সেও মেটার এআই উদ্যোগগুলো তুলে ধরছেন তিনি।

তার মতে, একটি পডকাস্ট যেমন একটি নির্দিষ্ট প্ল্যাটফর্মে প্রকাশ করা হলেও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছাতে সেটি অন্য জায়গাতেও ছড়িয়ে দেওয়া হয়। একইভাবে মেটার এআই পণ্য ও মডেলের খবরও বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে প্রকাশ করা প্রয়োজন।

টেকওয়ার্ল্ডের আপডেটেড খবর পেতে WhatsApp চ্যানেল ফলো করুন

জাকারবার্গ আরও বলেন, থ্রেডস ভালো করছে। তবে বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে বিভিন্ন কমিউনিটির উপস্থিতি রয়েছে। বিশেষ করে এআই-সংশ্লিষ্ট অনেক মানুষ এক্সে সক্রিয় থাকায় সেখানে মেটার উপস্থিতিও গুরুত্বপূর্ণ।

২০২৬ সালে মেটা এআই মডেল ও প্রযুক্তি নিয়ে জোরালোভাবে কাজ করছে। জাকারবার্গের এক্সে ফিরে আসা তাই মেটার নতুন এআই উদ্যোগগুলোর প্রচার ও গবেষক-প্রকৌশলীদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হয়ে উঠেছে।