অশ্লীল ছবি তৈরিতে গ্রোকের ভূমিকা নিয়ে মামলা
ইলন মাস্কের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রতিষ্ঠান এক্সএআইয়ের চ্যাটবট গ্রোককে ঘিরে চলমান মামলায় নতুন অভিযোগ যুক্ত হয়েছে। ‘জেন ডো ৪’ নামে পরিচিত এক নারী অভিযোগ করেছেন, তার সৎ বাবা গ্রোক ব্যবহার করে ১১ বছর বয়সে তোলা তার একটি ছবি পরিবর্তন করে সাত হাজারের বেশি অশ্লীল ছবি তৈরি করেছিলেন।
ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে এসব ছবি উদ্ধারের পর ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে। ওই নারীর দাবি, বিষয়টি উদ্ঘাটনের দুই দিন পর তার সৎ বাবা আত্মহত্যা করেন।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি অঙ্গরাজ্যের তিন কিশোরী এক্সএআইয়ের বিরুদ্ধে মামলা করেন। তাদের অভিযোগ, বাস্তব মানুষের, বিশেষ করে অপ্রাপ্তবয়স্কদের, অশ্লীল ছবি তৈরিতে গ্রোকের অপব্যবহার ঠেকাতে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
নতুন অভিযোগ নিয়ে মামলায় যুক্ত হওয়া ওই নারী বলেন, ‘এ ধরনের প্রযুক্তির সীমাহীন ব্যবহার দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে এবং এটি সাধারণ জীবনকেও শিশু যৌন নির্যাতনের উপকরণে পরিণত করছে।’
মামলাকারীদের দাবি, গ্রোক ব্যবহার করে বাস্তব ব্যক্তিদের ছবি পরিবর্তন করে আপত্তিকর ও যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ ছবি তৈরি করা সম্ভব হয়েছে। তারা মামলাটিকে শ্রেণিভিত্তিক বা ক্লাস অ্যাকশন মামলার মর্যাদা দেওয়ারও আবেদন জানিয়েছেন।
চলতি বছরের শুরুতে গ্রোক দিয়ে তৈরি বিপুল পরিমাণ যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে ছড়িয়ে পড়ার ঘটনাও আলোচনায় আসে। এরপর থেকেই এআই প্রযুক্তির নিরাপত্তা ও অপব্যবহার রোধে নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়।
এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে এক্সএআইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।