এক্সএআই তহবিল পেলেও গ্রোক বিতর্কে ফেঁসেছে ইলন মাস্ক
ইলন মাস্কের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রতিষ্ঠান এক্সএআই ২০ বিলিয়ন ডলার তহবিল সংগ্রহ করেছে। সিরিজ ই রাউন্ডে এই অর্থ সংগ্রহ প্রতিষ্ঠানটির ১৫ বিলিয়ন ডলারের লক্ষ্য ছাড়িয়ে গেছে। তবে তহবিল সাফল্যের সঙ্গে এসেছে বড় বিতর্ক। গ্রোক চ্যাটবট ব্যবহার করে অনুরোধে বাস্তব মানুষের, এমনকি অপ্রাপ্তবয়স্কদের যৌন প্রকৃতির ডিপফেক ছবি তৈরি করার অভিযোগে এক্সএআই আন্তর্জাতিক তদন্তের মুখোমুখি।
এক্সএআই জানিয়েছে, এই রাউন্ডে এনভিডিয়া, ফিডেলিটি, কাতার ইনভেস্টমেন্ট অথরিটি এবং ভ্যালর ইকুইটি পার্টনার্স কৌশলগত বিনিয়োগকারীরূপে অংশ নিয়েছে। তবে বিনিয়োগটি ইকুইটি না ঋণ তা বিস্তারিত জানানো হয়নি। নতুন তহবিল ডেটা সেন্টার সম্প্রসারণ এবং গ্রোকসহ অন্যান্য এআই মডেলের উন্নয়নে ব্যবহার করা হবে।
এক্সএআই জানিয়েছে, এক্স এবং গ্রোক মিলিয়ে তাদের মাসিক সক্রিয় ব্যবহারকারী প্রায় ৬০ কোটি। তবে সম্প্রতি গ্রোক ব্যবহার করে অনুরোধে ডিপফেক তৈরি, যা নিরাপত্তা ও নৈতিকতার সীমা লঙ্ঘন করেছে।
বিভিন্ন দেশ ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে। ফ্রান্সে কর্মকর্তারা অভিযোগ দাখিল করেছেন, যুক্তরাজ্যে প্রযুক্তি মন্ত্রী ছবি নিয়ে “ভয়ঙ্কর এবং unacceptable” মন্তব্য করেছেন এবং মিডিয়া নিয়ন্ত্রণ সংস্থার হস্তক্ষেপ চেয়েছেন। অস্ট্রেলিয়া, ভারত এবং মালয়েশিয়াতেও অনলাইন নিরাপত্তা সংস্থাগুলো তদন্ত শুরু করেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, গ্রোক চাইল্ড সেক্সুয়াল অ্যাবিউজ সামগ্রী তৈরি ও ছড়িয়ে দিয়েছে।
ইলন মাস্ক জানিয়েছেন, যারা অবৈধ কনটেন্ট তৈরি করবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করিয়ে দিচ্ছেন, গ্রোকের নিরাপত্তা ব্যবস্থা এখনও অপর্যাপ্ত। সিস্টেমটি এখনও অনৈতিক সামগ্রী তৈরি করতে সক্ষম।