বিশ্বের ১৭ কোটি মানুষকে সংযুক্ত করেছে হুয়াওয়ে
বিশ্বের ৮০টিরও বেশি দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রায় ১৭ কোটি মানুষকে ডিজিটাল সংযোগের আওতায় এনেছে হুয়াওয়ে। এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়নের (আইটিইউ) ‘পার্টনার-টু-কানেক্ট’ (পিটুসি) ডিজিটাল কোয়ালিশনে দেয়া ২০২২ সালের প্রতিশ্রুতিকেও ছাড়িয়ে গেল প্রতিষ্ঠানটি।
বুধবার হুয়াওয়ে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
বার্সেলোনায় চলমান মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেস (এমডব্লিউসি) ২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত হুয়াওয়ের ‘টেক কেয়ারস ফোরাম’-এ এই ঘোষণা দেন হুয়াওয়ে আইসিটি বিজি-র সিইও ইয়াং চাওবিন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের মধ্যে ১২ কোটি মানুষকে যুক্ত করার লক্ষ্য থাকলেও নির্ধারিত সময়ের এক বছর আগেই এই মাইলফলক স্পর্শ করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
হুয়াওয়ের এই অর্জনের প্রশংসা করে আইটিইউ টেলিকমিউনিকেশন ডেভেলপমেন্ট ব্যুরোর পরিচালক কসমাস জাভাজাভা বলেন, ডিজিটাল ব্যবধান ঘোচাতে উদ্ভাবনী ব্যবসায়িক মডেল এবং টেকসই বিনিয়োগ প্রয়োজন। সর্বজনীন ও অর্থপূর্ণ সংযোগের প্রতি হুয়াওয়ের প্রতিশ্রুতির প্রশংসা করেন তিনি।
হুয়াওয়ের ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি কৌশলের মূল স্তম্ভ দুটি-অন্তর্ভুক্তিমূলক সংযোগ এবং ডিজিটাল দক্ষতা বৃদ্ধি। দক্ষতার ঘাটতি দূর করতে ‘স্কিলস অন হুইলস’-এর মতো উদ্যোগের মাধ্যমে ইতোমধ্যে ২১টি দেশে ১ লাখ ৩০ হাজারেরও বেশি মানুষকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। গ্রামীণ নেটওয়ার্ক উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে হুয়াওয়ে এর ‘রুরালকাউ’ (RuralCow) সলিউশনের সাফল্য তুলে ধরে, যা ২০২৫ সালের নভেম্বরে চালু হয়। এমটিএন নাইজেরিয়ার সহায়তায় তৈরি এই সিস্টেমটি মাত্র ১,৫০০ বাসিন্দার ছোট গ্রামেও নেটওয়ার্ক সুবিধা পৌঁছে দিতে সক্ষম।
ভবিষ্যতে ডিজিটাল ক্ষমতায়ন ত্বরান্বিত করতে এবং আরও ন্যায়সঙ্গত ডিজিটাল বিশ্ব গড়তে সরকার ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সঙ্গে যৌথভাবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে হুয়াওয়ে।