ক্লাউড ব্যবসায় রেকর্ড রাজস্ব মাইক্রোসফটের
টানা ১০ প্রান্তিকে রাজস্বের নতুন রেকর্ড গড়েছে মাইক্রোসফট। ২০২৭ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) প্রতিষ্ঠানটির রাজস্ব হয়েছে ৯২ দশমিক ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৯ শতাংশ বেশি। এ সময়ে নিট মুনাফা ৩২ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৬ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলারে।
প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট টেকক্রাঞ্চের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজস্ব বৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা রেখেছে মাইক্রোসফটের ক্লাউড ব্যবসা। এ খাত থেকে আয় হয়েছে ৬৩ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের একই প্রান্তিকের তুলনায় ৩০ শতাংশ বেশি।
মাইক্রোসফটের ক্লাউড আয়ের বড় অংশ এসেছে অ্যাজুর ও মাইক্রোসফট ৩৬৫ থেকে। অ্যাজুর থেকে আয় হয়েছে ৩৩ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার এবং মাইক্রোসফট ৩৬৫ থেকে প্রায় ২৮ বিলিয়ন ডলার। তবে অ্যাজুরের সব আয় এআই থেকে আসেনি। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এ প্ল্যাটফর্মে প্রচলিত সফটওয়্যার ও সফটওয়্যার-অ্যাজ-আ-সার্ভিস (সাস) অ্যাপ্লিকেশনও চালায়।
এআই খাত থেকেও উল্লেখযোগ্য আয় করেছে মাইক্রোসফট। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, ওপেনএআইয়ের কাছ থেকে তাদের আয় হয়েছে ১০ বিলিয়ন ডলার। ওপেনএআই অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিসেস ও ওরাকলের মতো অন্য প্রতিষ্ঠানের ক্লাউড সেবা ব্যবহার করলেও তাদের অনেক সেবা এখনো মাইক্রোসফটের ক্লাউডে চলে। এ ছাড়া অ্যানথ্রপিকের সেবাও অ্যাজুরে পরিচালিত হয়।
মাইক্রোসফটের তথ্যমতে, বাণিজ্যিক চুক্তির আওতায় ভবিষ্যতে পাওয়ার অপেক্ষায় থাকা রাজস্ব ৭৩ শতাংশ বেড়ে ৬৭৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। এর মধ্যে এআই ল্যাবগুলোর সঙ্গে করা চুক্তিও রয়েছে।
ভবিষ্যতের চাহিদা পূরণে অবকাঠামো প্রস্তুত করতে ব্যয়ও বাড়াচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। সর্বশেষ প্রান্তিকে মাইক্রোসফটের মূলধনি ব্যয় ৪৫ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে, যা এক প্রান্তিকে নতুন রেকর্ড।
অন্যদিকে, ‘ডিভাইসেস অ্যান্ড কনজ্যুমার’ বিভাগে রাজস্ব ৩ শতাংশ কমে ১৫ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারে নেমেছে। এ বিভাগে উইন্ডোজের মূল সরঞ্জাম নির্মাতাদের (ওইএম) কাছ থেকে আয় ও ডিভাইস বিক্রির রাজস্ব কমেছে ২২ শতাংশ। মাইক্রোসফট বর্তমানে তাদের ব্যবসায়িক প্রতিবেদন দুটি বিভাগে প্রকাশ করছে: ‘এজেন্টস অ্যান্ড ইনফ্রা’ এবং ‘ডিভাইসেস অ্যান্ড কনজ্যুমার’।