পাঁচ বছর পর কতটা বদলেছে উইন্ডোজ ১১
উইন্ডোজ ১১ বাজারে আসার পাঁচ বছর পূর্ণ হতে যাচ্ছে। দীর্ঘ সময়ের আপডেট ও উন্নয়নের পর অপারেটিং সিস্টেমটি আগের তুলনায় কম সিস্টেম রিসোর্স ব্যবহার করছে এবং মাইক্রোসফটের পণ্যের বিজ্ঞাপনও আগের তুলনায় কম বিরক্তিকর হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট পিসিওয়ার্ল্ড।
পিসিওয়ার্ল্ডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উইন্ডোজ ১১-এর শুরুতে তুলনামূলক বেশি র্যাম ও সিস্টেম রিসোর্স ব্যবহারের অভিযোগ ছিল। তবে সাম্প্রতিক পরীক্ষায় ৮ গিগাবাইট র্যামের একটি ডেল এক্সপিএস ১৩ ল্যাপটপেও সাধারণ কাজের সময় অপারেটিং সিস্টেমটি বেশ স্বচ্ছন্দে চলেছে। একই সময়ে ক্রোমে ২০টির বেশি ট্যাব খোলা, গান শোনা এবং মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে কাজ করার সময়ও বড় ধরনের ধীরগতি দেখা যায়নি।
তবে উইন্ডোজ ১১ নিষ্ক্রিয় অবস্থাতেও যথেষ্ট র্যাম ব্যবহার করছে। পরীক্ষায় কোনো অ্যাপ চালু না থাকলেও প্রায় ৬ গিগাবাইট র্যাম ব্যবহৃত হতে দেখা গেছে। নতুন অ্যাপ চালু ও আরও ট্যাব খোলার সঙ্গে র্যামের ব্যবহারও বাড়তে থাকে। তবে সাধারণ ব্রাউজিং ও কাজের ক্ষেত্রে এতে বড় ধরনের সমস্যা দেখা যায়নি।
বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রেও পরিবর্তন এসেছে। উইন্ডোজ ১১-এর আগের সংস্করণে ওয়ানড্রাইভ ব্যবহারের প্রচারণা, ব্যক্তিগত তথ্য দেওয়ার অনুরোধ এবং ক্রোম ডাউনলোডের সময় বিং ব্যবহারের পরামর্শের মতো বিজ্ঞাপন বেশি দেখা যেত। সাম্প্রতিক পরীক্ষায় এসব বিজ্ঞাপন তুলনামূলক কম এবং কম বিরক্তিকর বলে উল্লেখ করেছে পিসিওয়ার্ল্ড।
তবে উইন্ডোজ ১১ পুরোপুরি সমস্যা মুক্ত হয়ে গেছে এমন নয়। অপারেটিং সিস্টেমটির সম্পদ ব্যবহারের হার এখনো বেশি এবং মাইক্রোসফটের বিভিন্ন পণ্য ও সেবা ব্যবহারের প্রচারণাও পুরোপুরি বন্ধ হয়নি।
এদিকে উইন্ডোজ ১০ ব্যবহারকারীদের জন্য মাইক্রোসফটের বর্ধিত নিরাপত্তা সহায়তা কর্মসূচির মাধ্যমে ২০২৭ সালের অক্টোবর পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা আপডেট পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। ফলে উইন্ডোজ ১০ থেকে উইন্ডোজ ১১-এ যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে ব্যবহারকারীদের হাতে এখনো কিছুটা সময় রয়েছে।