স্পেসএক্সের স্যাটেলাইট অবতরণে আবারও বিস্ফোরণ
মহাকাশ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্সের নতুন প্রজন্মের স্টারলিংক স্যাটেলাইট সফলভাবে উৎক্ষেপণ করলেও অবতরণের সময় আবারও বিস্ফোরণের ঘটনায় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।
প্রতিষ্ঠানটি তাদের উন্নত ‘স্টারশিপ’ রকেট ব্যবহার করে এ মিশন পরিচালনা করে, যা ছিল এ পর্যন্ত ১৩তম পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ। এই মিশনে তৃতীয় প্রজন্মের স্টারলিংক স্যাটেলাইট মহাকাশে পাঠানো হয়।
উৎক্ষেপণের পর পরিকল্পিত পরীক্ষামূলক অবতরণের সময় ‘সুপার হেভি’ বুস্টার সমস্যায় পড়ে। নির্ধারিতভাবে সব ইঞ্জিন চালু না হওয়ায় এটি মেক্সিকো উপসাগরে পানিতে আঘাত করে এবং পরে বিস্ফোরিত হয়। এর আগে মে মাসে একই ধরনের ব্যর্থতা দেখা গিয়েছিল।
তবে রকেটের উপরের অংশ এই মিশনে ভালো পারফরম্যান্স দেখিয়েছে। এটি সফলভাবে স্যাটেলাইট মোতায়েন করে এবং পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে পুনঃপ্রবেশের পর ভারত মহাসাগরে পরীক্ষামূলক অবতরণ সম্পন্ন করে। আগের মতো বিস্ফোরিত না হয়ে পানিতে ভেসে থাকায় প্রকৌশলীরা এর তাপরোধী আবরণ পরীক্ষা করার সুযোগ পেয়েছেন।
উৎক্ষেপণের প্রায় ২০ মিনিট পর স্যাটেলাইটগুলো বায়ুমণ্ডলে পুড়ে গেলেও মহাকাশে থাকা অবস্থায় সেগুলোর সঙ্গে সফলভাবে যোগাযোগ স্থাপন করা সম্ভব হয়েছে। এটিকে স্টারলিংক প্রকল্পের জন্য ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
স্টারলিংক বর্তমানে স্পেসএক্সের সবচেয়ে লাভজনক খাত। নতুন প্রজন্মের স্যাটেলাইট ব্যবহারের মাধ্যমে ইন্টারনেট সেবার সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, বুস্টার পুনর্ব্যবহারযোগ্য না হলে খরচ বাড়বে এবং প্রকল্পের অগ্রগতি ধীর হতে পারে। ফলে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে স্পেসএক্সকে এখনও প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে।
সূত্র : টেকক্রাঞ্চ