ডিজিটাল মার্কেটিং অ্যাওয়ার্ডে স্বীকৃতি পেল ৮৯ ক্যাম্পেইন
দেশের ডিজিটাল বিপণন খাতের সেরা প্রচারণাগুলোর স্বীকৃতি মিলেছে নবম ডিজিটাল মার্কেটিং অ্যাওয়ার্ডে। রাজধানীর লা মেরিডিয়ান ঢাকায় আয়োজিত জমকালো অনুষ্ঠানে ২৬টি বিভাগে মোট ৮৯টি ক্যাম্পেইন পুরস্কৃত হয়।
বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের উদ্যোগে আয়োজিত এই আয়োজনে বিজ্ঞাপন, ব্র্যান্ডিং ও প্রযুক্তি খাতের শত শত পেশাজীবী অংশ নেন।
২০২৪ সালের ১ নভেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ২৫ মার্চ পর্যন্ত ডিজিটাল মাধ্যমে পরিচালিত প্রচারণাগুলো এই প্রতিযোগিতায় বিবেচিত হয়। এবারের আসরে ৬৬টি প্রতিষ্ঠান থেকে জমা পড়ে মোট ১ হাজার ৭২টি মনোনয়ন।
দুই ধাপের বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সেরা ক্যাম্পেইন নির্বাচন করা হয়। প্রথম ধাপে ৮টি বিচারক প্যানেলের ১১৩ জন সদস্য সংক্ষিপ্ত তালিকা তৈরি করেন। পরে চূড়ান্ত পর্বে ৮টি বিচারক দলের ১১০ জন বিশেষজ্ঞ বিজয়ীদের নির্ধারণ করেন।
চূড়ান্ত ফলাফলে ৬৩টি ক্যাম্পেইন ব্রোঞ্জ, ২০টি রৌপ্য এবং ৬টি স্বর্ণ পুরস্কার অর্জন করে। তবে এবার কোনো গ্র্যান্ড প্রিক্স দেওয়া হয়নি। অনুষ্ঠানে ৫০০-এর বেশি ডিজিটাল বিপণন ও ব্যবসায়িক পেশাজীবী উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘ডিজিটাল বিপণন এখন কেবল প্রচারণার মাধ্যম নয়, এটি গ্রাহকের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ, ব্যক্তিকেন্দ্রিক অভিজ্ঞতা তৈরি এবং তথ্যনির্ভর সিদ্ধান্তের গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র।’
তিনি আরও বলেন, ‘দেশের ডিজিটাল বিপণন খাত এখন আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগোচ্ছে। এ ধরনের আয়োজন উদ্ভাবন ও সৃজনশীলতাকে আরও উৎসাহিত করে।’
একই ভেন্যুতে এর আগে অনুষ্ঠিত হয় ১২তম ডিজিটাল সামিট। ‘ডিজিটালকে নতুনভাবে ভাবনা, কৌশল, গল্প ও বিজ্ঞান’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এই সম্মেলনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ভোক্তার পরিবর্তিত চাহিদা, প্রযুক্তির ব্যবহার এবং সৃজনশীলতার নানা দিক উঠে আসে।
দিনব্যাপী আলোচনায় গবেষণা উপস্থাপন, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং বিশেষজ্ঞ মতামতের মাধ্যমে উঠে আসে কীভাবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মানুষের অভিজ্ঞতা বদলে দিচ্ছে এবং তথ্য ও সৃজনশীলতার সমন্বয়ে নতুন ধরনের বিপণন কৌশল তৈরি হচ্ছে।