উইন্ডোজ ১১-এ লুকিয়ে থাকা অদ্ভুত ও প্রয়োজনীয় ১০ সুবিধা

Staff Reporter

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোমবার, ২৬ জানুয়ারি ২০২৬, ১৭:২৭

উইন্ডোজ ১১-এ লুকিয়ে থাকা অদ্ভুত ও প্রয়োজনীয় ১০ সুবিধা

উইন্ডোজ ১১ ব্যবহার করি সবাই। কিন্তু এই অপারেটিং সিস্টেমের ভেতরে এমন কিছু ফিচার আছে, যেগুলোর কথা অনেকেই জানেন না। সেটিংস অ্যাপের গভীরে লুকিয়ে থাকা এসব টুল কখনও বিস্ময় জাগায়, কখনও আবার সত্যিই কাজে লাগে। পুরোনো উইন্ডোজের ছাপ আর ভবিষ্যৎ প্রযুক্তির ইঙ্গিত একসঙ্গে পাওয়া যায় এসব ফিচারে।

‘উইন্ডোজ কী’+‘আই’ একসঙ্গে চাপলেই সেটিংস অ্যাপ খুলে যাবে। সেখান থেকেই মিলবে এই অদ্ভুত কিন্তু উপকারী সুবিধাগুলো।

ডাইনামিক লক

এই ফিচারটি ফোনের ব্লুটুথ সিগন্যাল ব্যবহার করে কাজ করে। ফোনটি কম্পিউটার থেকে দূরে গেলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে পিসি লক হয়ে যায়। অ্যাকাউন্টসের সাইন ইন অপশনে গিয়ে এটি চালু করা যায়। কিছু নতুন কম্পিউটারে উপস্থিতি সেন্সর থাকায় ফোন ছাড়াই এই সুবিধা পাওয়া যায়।

নিয়ারবাই শেয়ারিং

ক্লাউড ছাড়াই কাছাকাছি থাকা দুটি উইন্ডোজ কম্পিউটারের মধ্যে ফাইল পাঠানো যায় এই ফিচারে। ব্লুটুথ বা ওয়াই ফাই ব্যবহার করে ছবি, ফাইল বা ওয়েব লিংক শেয়ার করা সম্ভব। সিস্টেম সেটিংসে গিয়ে এটি চালু করতে হয়।

স্টোরেজ সেন্স

কম্পিউটারের অপ্রয়োজনীয় ফাইল নিজে থেকেই মুছে দিতে পারে স্টোরেজ সেন্স। ডাউনলোড ফোল্ডার, অস্থায়ী ফাইল বা রিসাইকেল বিন নির্দিষ্ট সময় পর পরিষ্কার করে দেয়। তবে চালু করার আগে প্রয়োজনীয় ফাইল সংরক্ষণ করা জরুরি।

প্রজেক্ট টু দিস পিসি

এই ফিচারে অন্য ডিভাইস থেকে নিজের পিসিতে স্ক্রিন দেখানো যায়। ছোট ল্যাপটপের কনটেন্ট বড় পর্দায় দেখার জন্য এটি কাজে লাগে। সিস্টেম সেটিংসে গিয়ে ওয়্যারলেস ডিসপ্লে চালু করতে হয়।

ক্লিপবোর্ড সিঙ্ক

একটি কম্পিউটারে কপি করা লেখা অন্য উইন্ডোজ ডিভাইসে পেস্ট করা যায়। চাইলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সিঙ্ক হবে, আবার চাইলে নিজে বেছে পাঠানো যাবে। অ্যান্ড্রয়েড ফোনেও এটি ব্যবহার করা যায়।

টাস্কবার থেকেই এন্ড টাস্ক

কোনো অ্যাপ হ্যাং করলে টাস্ক ম্যানেজার না খুলেই সেটি বন্ধ করা যাবে। টাস্কবারে অ্যাপ আইকনে ডান ক্লিক করলেই এন্ড টাস্ক অপশন দেখা যাবে।

গেম মোড

গেম খেলার সময় নোটিফিকেশন বন্ধ রাখে এই মোড। পারফরম্যান্স খুব একটা না বাড়ালেও বিরক্তি কমায়। গেমিং সেটিংসে গিয়ে এটি নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

আই কন্ট্রোল

বিশেষ হার্ডওয়্যার থাকলে চোখের দৃষ্টিতেই কম্পিউটার নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। এটি মূলত বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যবহারকারীদের জন্য।

টাইটেল বার উইন্ডো শেক

একটি উইন্ডো ধরে ঝাঁকালেই অন্য সব উইন্ডো মিনিমাইজ হয়ে যায়। মাল্টিটাস্কিং সেটিংসে গিয়ে এটি চালু করা যায়।

ডিভাইস পোর্টাল

ডেভেলপার মোড চালু করলে পাওয়া যায় এই রহস্যময় ফিচার। মূলত হলোলেন্স ডিভাইস ব্যবস্থাপনার জন্য তৈরি হলেও এখনো সেটিংসে রয়ে গেছে।

উইন্ডোজ ১১-এর এসব ফিচার নিয়মিত ব্যবহার না হলেও জানলে অভিজ্ঞতা আরও সমৃদ্ধ হয়। নতুন প্রযুক্তি বোঝার আগ্রহী তরুণদের জন্য এগুলো হতে পারে চমকপ্রদ আবিষ্কার।

টেকওয়ার্ল্ডের আপডেটেড খবর পেতে WhatsApp চ্যানেল ফলো করুন