২৫টির বেশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সুবিধা নিয়ে দেশে চালু হলো ‘রাইজ এআই'
গবেষণা, পড়াশোনা ও কনটেন্ট তৈরির কাজে ব্যবহারের জন্য ২৫টির বেশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মডেল নিয়ে বাংলাদেশে চালু হয়েছে ‘রাইজ এআই’। মাসে ১০০ টাকা থেকে শুরু হওয়া বিভিন্ন মূল্যের প্যাকেজে দেশের সব মোবাইল অপারেটরের গ্রাহকেরা এ সেবা ব্যবহার করতে পারবেন।
আজ (২ নভেম্বর) ঢাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে সেবাটির উদ্বোধন করেন ভিয়ন গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কান তেরজিওগলু। স্বতন্ত্র মুঠোফোন অ্যাপ ও ওয়েবসাইটের মাধ্যমে রাইজ এআই ব্যবহার করা যাবে।
রাইজ এআইয়ে ছবি, ভিডিও ও শব্দ তৈরি, গবেষণা এবং পড়াশোনার জন্য বিভিন্ন সুবিধা রয়েছে। সেবাটিতে তিনটি প্রধান বিভাগ রাখা হয়েছে। এগুলো হলো ইমাজিন স্টুডিও, স্টাডি হাব ও প্লাগইনস।
ইমাজিন স্টুডিওর মাধ্যমে ছবি, ভিডিও ও শব্দ তৈরি করতে পারবেন ব্যবহারকারীরা। স্টাডি হাবে রয়েছে পড়াশোনা, গবেষণা ও শিক্ষাসংক্রান্ত কাজের বিভিন্ন সুবিধা। আর প্লাগইনস বিভাগে দৈনন্দিন কাজ সহজ করা ও কর্মদক্ষতা বাড়ানোর বিভিন্ন প্রযুক্তি ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে।
রাইজ এআইয়ে বিনা মূল্যের একটি প্যাকেজের পাশাপাশি পাঁচটি মূল্যভিত্তিক প্যাকেজ রয়েছে। এগুলোর দাম যথাক্রমে মাসে ১০০, ৩০০, ৫০০, ১ হাজার ও ১ হাজার ৫০০ টাকা। যেকোনো মোবাইল অপারেটরের গ্রাহকেরা বাংলাদেশি টাকায় এসব প্যাকেজের মূল্য পরিশোধ করতে পারবেন।
শিক্ষার্থী, তরুণ পেশাজীবী, কনটেন্ট নির্মাতা ও উদ্যোক্তাদের কথা মাথায় রেখে সেবাটি তৈরি করা হয়েছে। এর মাধ্যমে তরুণেরা শিক্ষা, গবেষণা, কনটেন্ট তৈরি ও দৈনন্দিন কাজে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের সুযোগ পাবেন। পাশাপাশি নতুন ধারণা তৈরি ও সৃজনশীল কাজেও সহায়তা পাবেন তাঁরা।
বাংলালিংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জোহান বুসে বলেন,‘আগামী প্রজন্মের উদ্ভাবন যেন ভৌগোলিক অবস্থান, ক্রয়ক্ষমতা কিংবা প্রযুক্তির সহজলভ্যতার সীমাবদ্ধতায় আটকে না থাকে। বাংলাদেশের তরুণদের মধ্যে অসাধারণ প্রতিভা রয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার শক্তি সরাসরি তাদের হাতে পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য। রাইজ এআইয়ের মাধ্যমে আমরা বিশ্বমানের প্রযুক্তিকে আরও সহজলভ্য করে তুলছি, যাতে তরুণেরা শুধু ডিজিটাল ভবিষ্যতের অংশ হতে পারে তাই নয়, বরং সেই ভবিষ্যৎ নির্মাণেও ভূমিকা রাখতে পারে।’
এই উদ্যোগের মাধ্যমে ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তির প্রতি রাইজের অঙ্গীকার আরও জোরালো হলো। একই সঙ্গে দেশের সব অঞ্চলের তরুণদের কাছে নতুন প্রযুক্তির সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যও এগিয়ে যাবে।