নিউজিল্যান্ডে শিশুদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষেধাজ্ঞায় বিরোধীদের সমর্থন
১৬ বছরের কম বয়সীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দিতে সরকারের প্রস্তাবিত আইনে সমর্থন জানিয়েছে নিউজিল্যান্ডের প্রধান বিরোধী দল লেবার পার্টি। এতে প্রধানমন্ত্রী ক্রিস্টোফার লাক্সনের সরকারের জন্য আইনটি পাসের বড় বাধা দূর হয়েছে বলে জানিয়েছে রয়টার্স।
প্রস্তাবিত আইনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্মগুলোকে ব্যবহারকারীর বয়স যাচাইয়ে যুক্তিসংগত ব্যবস্থা নিতে হবে। এ ক্ষেত্রে বিদ্যমান অ্যাকাউন্টের তথ্য, মুখমণ্ডল শনাক্তকরণ প্রযুক্তি ও ডিজিটাল পরিচয়পত্র ব্যবহারের সুযোগ থাকবে।
আইন না মানলে সংশ্লিষ্ট প্ল্যাটফর্মকে তাদের বৈশ্বিক আয়ের সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ পর্যন্ত জরিমানা করা হতে পারে। লেবার পার্টির নেতা ক্রিস হিপকিনস বলেছেন, তাদের সমর্থন থাকায় সরকারের বিলটি পাসে আর দেরি করার কারণ নেই। নির্বাচনের আগে বিলটি প্রথম ধাপেই পাস হবে বলে আশা করছেন তিনি।
তবে সরকারের জোটসঙ্গী নিউজিল্যান্ড ফার্স্ট পার্টি ও অ্যাক্ট পার্টি বিলটিতে সমর্থন না দেওয়ার কথা জানিয়েছে। ফলে আগামী ৭ নভেম্বরের নির্বাচনের আগে পার্লামেন্টে বিলটি পাস হবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
নিউজিল্যান্ড ফার্স্ট পার্টির নেতা ও দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী উইনস্টন পিটার্স বলেন, প্রস্তাবিত আইনটির দিকনির্দেশনা নিয়ে তাদের উদ্বেগ রয়েছে। তার মতে, এ ধরনের আইন ভবিষ্যতে আরও কঠোর নিয়ন্ত্রণের পথ তৈরি করতে পারে।
১৬ বছরের কম বয়সীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া প্রথম দেশ অস্ট্রেলিয়া। শিশু ও কিশোরদের এসব প্ল্যাটফর্ম থেকে দূরে রাখতে যুক্তরাজ্যসহ আরও কয়েকটি দেশও বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে।