ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষায় সহজ ও গুরুত্বপূর্ণ ৬ পদক্ষেপ
আপনার ব্যক্তিগত তথ্য এখন বিজ্ঞাপনদাতা, সাইবার অপরাধী এবং বিভিন্ন কোম্পানির কাছে অত্যন্ত মূল্যবান। তাই আপনার ডেটা কোথায় যাচ্ছে এবং কীভাবে ব্যবহার হচ্ছে, তা বোঝা জরুরি। ডিভাইস ও অ্যাপের অপ্রয়োজনীয় অ্যাক্সেস সীমিত করলেই অনেকাংশে কমানো যায় ডেটা সংগ্রহের ঝুঁকি। এই লেখায় সহজ কিন্তু কার্যকর ৬টি উপায় নিয়ে আলোচনা করা হলো। চলুন, জেনে নিই-
কোম্পানি কী তথ্য সংগ্রহ করে তা জানুন
অ্যাপ বা ওয়েবসাইটের প্রাইভেসি পলিসি দেখে বুঝতে পারবেন তারা কী ধরনের তথ্য সংগ্রহ করে এবং কীভাবে ব্যবহার করে। ডেটা কালেকশন অংশে বিশেষ নজর দিন। অ্যাপ স্টোরের প্রাইভেসি রিপোর্টও কাজে লাগতে পারে। ইমেইলে আসা নীতিমালার আপডেটও এড়িয়ে যাবেন না।
২. ট্র্যাকিংয়ে ‘না’ বলুন
ওয়েবসাইটে প্রবেশের সময় কুকি অনুমতি চাইলেই তা মেনে নেবেন না। ট্র্যাকিং কুকি আপনার অনলাইন কার্যকলাপ অনুসরণ করে। সম্ভব হলে ‘ডিক্লাইন’ করুন বা অ্যাড-ব্লকার ব্যবহার করুন। একইভাবে, এআই প্রশিক্ষণের জন্য ডেটা ব্যবহারের ক্ষেত্রেও অপ্ট-আউট করার সুযোগ থাকলে তা গ্রহণ করুন।
৩. অপ্রয়োজনীয় তথ্য শেয়ার করবেন না
যে তথ্য দেওয়ার প্রয়োজন নেই, তা না দেওয়াই নিরাপদ। অচেনা ওয়েবসাইটে জন্মতারিখ, ফোন নম্বর বা ঠিকানা দেওয়া এড়িয়ে চলুন। প্রয়োজনে সীমিত বা ভিন্ন তথ্য ব্যবহার করতে পারেন।
৪. ইন্টারনেট থেকে নিজের তথ্য মুছে ফেলুন
নিজের নাম সার্চ করে দেখুন অনলাইনে কী তথ্য রয়েছে। ডেটা ব্রোকার সাইটগুলো থেকে তথ্য সরাতে নিজে আবেদন করতে পারেন বা ডেটা রিমুভাল সার্ভিস ব্যবহার করতে পারেন, যা নিয়মিত এই কাজটি করে থাকে।
৫. মাল্টি-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন চালু করুন
অ্যাকাউন্ট সুরক্ষায় মাল্টি-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন (এমএফএ) ব্যবহার করুন। এটি পাসওয়ার্ডের পাশাপাশি অতিরিক্ত নিরাপত্তা স্তর তৈরি করে, ফলে হ্যাকিংয়ের ঝুঁকি কমে।

৬. পাসওয়ার্ড নিরাপদে সংরক্ষণ করুন
পাসওয়ার্ড ম্যানেজার ব্যবহার করলে বিভিন্ন অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড নিরাপদে রাখা যায়। এতে লগইন সহজ হয় এবং ডেটা সুরক্ষাও বাড়ে।
কম তথ্য শেয়ার মানেই বেশি সুরক্ষা। সচেতন থাকলে এবং ছোট কিছু অভ্যাস বদলালেই অনলাইনে নিজের ব্যক্তিগত তথ্য অনেকটাই নিরাপদ রাখা সম্ভব।
সূত্র : পিসি ওয়ার্ল্ড