এক্সপালস ২০০ সিরিজ নিয়ে হিরো বাংলাদেশের মিডিয়া টেস্ট রাইড

TechWorld Desk

টেকওয়ার্ল্ড ডেস্ক

বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬, ১৭:৫৩

এক্সপালস ২০০ সিরিজ নিয়ে হিরো বাংলাদেশের মিডিয়া টেস্ট রাইড

অ্যাডভেঞ্চার মোটরসাইকেল এক্সপালস ২০০ ৪ভি (Xpulse 200 4V) ও এক্সপালস ২০০ ৪ভি প্রোর (Xpulse 200 4V Pro) সক্ষমতা, পারফরম্যান্স ও রাইডিং অভিজ্ঞতা তুলে ধরতে গণমাধ্যমকর্মীদের নিয়ে বিশেষ টেস্ট রাইডের আয়োজন করেছে হিরো বাংলাদেশ। সম্প্রতি আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন প্রিন্ট, টেলিভিশন ও ডিজিটাল গণমাধ্যমের সাংবাদিক ও প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য এ ধরনের বিশেষ অ্যাডভেঞ্চার টেস্ট রাইডের আয়োজন করেছে হিরো বাংলাদেশ। অংশগ্রহণকারীরা এক্সপালস ২০০ ৪ভি ও এক্সপালস ২০০ ৪ভি প্রো চালিয়ে বিভিন্ন ধরনের রাস্তায় মোটরসাইকেল দুটির সক্ষমতা যাচাই করেন।

নির্ধারিত অন-রোড ও অফ-রোড পথে মোটরসাইকেল দুটির নিয়ন্ত্রণ, সাসপেনশন, ব্রেকিং, বিভিন্ন এবিএস মোড ও রাইডিং বৈশিষ্ট্য পরীক্ষা করেন তারা। বিশেষ করে অসমতল ও অফ-রোড পথে এক্সপালস ২০০ সিরিজের সক্ষমতা এবং বিভিন্ন রাইডিং পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার দক্ষতা ছিল আয়োজনের অন্যতম আকর্ষণ।

টেস্ট রাইডের বিভিন্ন পর্যায়ে অংশগ্রহণকারীরা মোটরসাইকেল দুটির গতি বাড়ানোর ক্ষমতা, নিয়ন্ত্রণ, সাসপেনশনের কার্যকারিতা ও আরামদায়ক রাইডিংয়ের অভিজ্ঞতা নেন। শহরের নিয়মিত রাস্তায় চলাচলের পাশাপাশি দীর্ঘ ভ্রমণ ও অ্যাডভেঞ্চার রাইডিংয়ে এক্সপালস ২০০ সিরিজের সম্ভাবনাও তারা সরাসরি যাচাই করেন।

হিরো বাংলাদেশ জানিয়েছে, বাংলাদেশের রাইডারদের মধ্যে অ্যাডভেঞ্চার ও নতুন জায়গা ঘুরে দেখার আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে। এক্সপালস ২০০ সিরিজ সেই আগ্রহকে আরও এগিয়ে নিতে সক্ষম। নতুন মোটরসাইকেল বাজারে আনার পাশাপাশি দেশের রাইডারদের মধ্যে অ্যাডভেঞ্চার রাইডিংয়ের সংস্কৃতি বিস্তৃত করাও তাদের লক্ষ্য।

প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, গণমাধ্যমকর্মীদের সরাসরি টেস্ট রাইডের মাধ্যমে মোটরসাইকেল দুটির প্রকৃত সক্ষমতা ও রাইডিং অভিজ্ঞতা তুলে ধরাই ছিল আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য

টেস্ট রাইডে অংশ নেওয়া গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা এক্সপালস ২০০ সিরিজের নিয়ন্ত্রণ, সাসপেনশন, পারফরম্যান্স এবং বিভিন্ন ধরনের রাস্তায় চলার সক্ষমতা নিয়ে তাদের অভিজ্ঞতা ও মতামত জানান। এর মাধ্যমে দেশের মোটরসাইকেলপ্রেমীদের কাছে অ্যাডভেঞ্চার রাইডিংয়ের সম্ভাবনা ও এক্সপালস ২০০ সিরিজের সক্ষমতা আরও কাছ থেকে তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

এক্সপালস ২০০ সিরিজে যা আছে

এক্সপালস ২০০ ৪ভি ও এক্সপালস ২০০ ৪ভি প্রো, দুই মডেলেই রয়েছে ১৯৯.৬ সিসি, চার ভালভের এক সিলিন্ডারের তেল শীতলীকরণ ইঞ্জিন। এটি ৮ হাজার ৫০০ আরপিএমে ১৮.৯ বিএইচপি শক্তি এবং ৬ হাজার ৫০০ আরপিএমে ১৭.৩৫ এনএম টর্ক উৎপন্ন করে। সঙ্গে রয়েছে পাঁচ গতির গিয়ারবক্স।

অ্যাডভেঞ্চার রাইডিংয়ের জন্য মোটরসাইকেল দুটিতে রয়েছে রোড, অফ-রোড ও র‍্যালি, এই তিন এবিএস মোড। রয়েছে ডুয়াল-পারপাস টায়ার ও সমন্বয়যোগ্য সাসপেনশন। এ ছাড়া এলসিডি ইনস্ট্রুমেন্ট ক্লাস্টার, ব্লুটুথ সংযোগ, বাঁকভিত্তিক নেভিগেশন, ক্লাস-ডি এলইডি প্রজেক্টর হেডল্যাম্প ও এলইডি ডিআরএল রয়েছে।

দীর্ঘ ভ্রমণ ও অ্যাডভেঞ্চার রাইডিংয়ের সুবিধার জন্য মোটরসাইকেল দুটিতে রয়েছে বাশ প্লেট, হ্যান্ডগার্ড ও লাগেজ রাখার প্লেট। এতে রয়েছে বাঞ্জি হুক, যা বিভিন্ন ধরনের রাস্তায় ব্যবহারিক সুবিধা দেবে।

এক্সপালস ২০০ ৪ভির বিশেষ মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ লাখ ৩৫ হাজার টাকা। এক্সপালস ২০০ ৪ভি প্রোর বিশেষ মূল্য ৩ লাখ ৬৫ হাজার টাকা। দুই মডেলের সঙ্গেই দুই বছরের নিবন্ধন সুবিধা বিনা মূল্যে দেওয়া হচ্ছে।

হিরো বাংলাদেশের এ আয়োজনের মাধ্যমে রাইডারদের সামনে ‘রাইড মোর, এক্সপ্লোর মোর’ বা আরও বেশি চালানো ও আরও বেশি ঘুরে দেখার দর্শন তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির মতে, মোটরসাইকেল চালানো শুধু গন্তব্যে পৌঁছানোর মাধ্যম নয়, বরং পথের অভিজ্ঞতা নেওয়া এবং নতুন জায়গা আবিষ্কারেরও অংশ।

টেকওয়ার্ল্ডের আপডেটেড খবর পেতে WhatsApp চ্যানেল ফলো করুন