বৃহস্পতিবার

ঢাকা, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

সর্বশেষ


খবর

সম্মিলিত উদ্যোগ ছাড়া শিশুদের ইন্টারনেটে নিরাপদ রাখা সম্ভব না

প্রকাশ: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, দুপুর ১২:৪৪

টেকওয়ার্ল্ড প্রতিবেদক

Card image

ছবি: সংগৃহীত

শিশুদের নিরাপদ ইন্টারনেট ব্যবহারে সচেতন করতে হলে সর্বপ্রথম শিক্ষকদের সচেতন হতে হবে।

বর্তমান তথ্য প্রযুক্তির যুগে ইন্টারনেটের বিশাল জগতে শিশুদের নিরাপদ রাখার জন্য সম্মিলিত উদ্যোগ জরুরি। ভবিষ্যত প্রজন্মকে প্রযুক্তি সর্ম্পকে অন্ধকারে না রেখে ছোটবেলা থেকে স্কুল পর্যায়ে শিক্ষার্থী ও তাদের অভিবাবকদের প্রযুক্তির ক্ষতিকর বিষয়সমূহ সর্ম্পকে সচেতন করতে হবে।

বিটিআরসি’র সামাজিক দায়বদ্ধতা তহবিল (SoF) এর অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন ‘সুবিধাবঞ্চিত প্রত্যন্ত অঞ্চলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষা ব্যবস্থা ডিজিটালকরণ’ নামক প্রকল্পের ময়মনসিংহ বিভাগের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থীদের নিরাপদ ইন্টারনেট ব্যবহারে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন বক্তারা।

শনিবার ময়মনসিংহের জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমীতে সিসেমি ওয়ার্কশপ বাংলাদেশ (সিসিমপুর) আয়োজিত উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) এর সিস্টেমস্ এন্ড সার্ভিসেস বিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ খলিল-উর-রহমান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিটিআরসি’র সিস্টেমস এন্ড সার্ভিসেস বিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগে. জেনা. মোহাম্মদ খলিল-উর-রহমান বলেন, বিটিআরসির মূল লক্ষ্য সমগ্র দেশব্যাপী টেকসই টেলিযোগাযোগ সেবা নিশ্চিত করা।

স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে হলে কানেক্টিভিটি অপরিহার্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিটিআরসির সামাজিক দায়বদ্ধতা তহবিলের মাধ্যমে দুর্গম অঞ্চলে ডিজিটাল ডিভাইস, ডিজিটাল কনটেন্ট এবং ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান করা হয়েছে।

বিটিআরসি কর্তৃক এ পর্যন্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ অন্যান্য মাধ্যমের ১ লাখের অধিক ক্ষতিকর কনটেন্ট অপসারণ করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, শিশুদের নিরাপদ ইন্টারনেট ব্যবহারে সচেতন করতে হলে সর্বপ্রথম শিক্ষকদের সচেতন হতে হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমির মহাপরিচালক  ফরিদ আহমেদ বলেন, শিশুদের শৈশব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, এ সময়ে শিশুদের মৌলিক ভিত্তি গড়ে ওঠে। একটি শিশু সকাল থেকে রাত পর্যন্ত কি কি করবে সে বিষয়ে কনটেন্ট তৈরি করা প্রয়োজন উল্লেখ করে এক্ষেত্রে দেশীয় সংস্কৃতিকে বিবেচনায় রাখার পরামর্শ দেন তিনি

ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে বিটিআরসির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে জানিয়ে সিসেমি ওয়ার্কশপ বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ শাহ আলম  বলেন, দেশের সংস্কৃতিকে প্রাধান্য দিয়ে সিসিমপুর শিশুদের জন্য কনটেন্ট তৈরি করবে। শিক্ষকদের নিরাপদ ইন্টারনেটের বিষয়ে সচেতন করতে ইতোমধ্যে ময়মনসিংহের ১০টি উপজেলার ১০০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিটিআরসির সহযোগিতায় নিরাপদ ইন্টারনেট কার্যক্রম চালুর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

সিসেমি ওয়ার্কশপ বাংলাদেশের ডিরেক্টর আবু সাইফ আনসারী (প্রোগ্রাম এন্ড বিজনেস ডেভেলপমেন্ট) এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বিটিআরসি’র কর্মকর্তাবৃন্দ, জেলা ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাগণ, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ, ইন্টারনেট সোসাইটি ফাউন্ডেশন ও বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

সংবাদটি পঠিত হয়েছে: ৫২ বার

SPACE FOR AD (760 X 180)

খবর সম্পর্কিত নিউজ