মোস্তফা রফিকুল ইসলাম

বেসিস নির্বাচনে ‘টিম দুর্জয়,  এর দলীয় প্রধান  মোস্তফা রফিকুল ইসলাম বলেন দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের উন্নয়নে তরুণ উদ্যোক্তাসহ ক্ষুদ্র-মাঝারি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। তাই এই ক্ষুদ্র উদ্যোগগুলোকে টেকসই করা জরুরী। তাই এই বিষয়টি নিয়ে কাজ করতে আমি আগ্রহী। তাদেরকে সবধরনের পরামর্শসহ সহজে আর্থিক সহায়তা প্রদানের জন্য দ্রুত ও সাহসী পদক্ষেপ নিয়ে কাজ করতে চাই। এছাড়াও আন্তর্জাতিক বাজার বিস্তারসহ স্থানীয় বাজারে সক্ষমতা অর্জনের বিষয়ে কাজ করবে টিম দুর্জয়।

এছাড়াও নতুন প্রজন্মকে আইসিটি ব্যবসায়ে উৎসাহিত করতে চাই। মূল্য সংযোজনসহ ব্যবসা সংক্রান্ত আইনগুলোর পরিবর্তন ও পরিমার্জনে সরকারের সহযোগীতা করতে চাই। দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে রপ্তানি পণ্য হিসেবে সুপ্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে কাজ করতে চাই। এছাড়া নির্দিষ্ট পরিকল্পনা গ্রহণ করে তা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সকলের সঙ্গে একীভূত হয়ে কাজ করতে চাই।

সৈয়দ আলমাস কবির

বেসিস নির্বাচনে ‘টিম হরাইজন’ এর কর্ণধার সৈয়দ আলমাস কবির বলেন,‘বেসিস এর সাবেক সভাপতি মোস্তাফা জব্বার আইসিটি মন্ত্রীর দায়ীত্ব গ্রহণের পর আমি বেসিসের সভাপতির দায়ীত্ব পেয়েছি। মাত্র দুই মাস সময় অতিক্রম করলাম। এই অল্প সময়ে আমি বিভিন্ন কার্যক্রম হাতে নিয়েছি। অনেকগুলো কাজ ইতোমধ্যে শেষ করেছি এবং অনেকগুলো প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। হাতে সময় পেলে খুব দ্রত এগুলো শেষ করতে পারবো। বাংলাদেশে আইসিটি খাত নতুন একটি খাত। এখানে যারা তথ্যপ্রযুক্তি নিয়ে কাজ করেন তারা বেশির ভাগই নতুন। এই নতুনদেরকে দক্ষ ও ব্যবসা সফল করে গড়ে তুলতে আমাদের কয়েকটি পরিকল্পনা আছে। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারলে দেশের আইসিটি খাত হবে একটি মজবুত খাত।  পরিকল্পনাগুলোর মধ্যে রয়েছে বেসিস সদস্যদের জন্য অফিস স্পেস বরাদ্দ করা, আর্থিক সহায়তা নিশ্চিত করা, ম্যানেজমেন্টে দক্ষ করে টিম তৈরি করে দেয়া, আইনী সহায়তা প্রদান করা, এনডিএ সম্পর্কে ধারনা দেয়া, ইন্টার অ্যাকচুয়াল প্রপার্টি (আইপি) সম্পর্কে অভিজ্ঞ করে তোলা, পণ্যে বিপণন ও সঠিক মার্কেটিং পলিসি সম্পর্কে ট্রেনিং প্রদান করাসহ আরো অনেকগুলো কাজ হাতে রয়েছে আমাদের। এগুলোর মধ্য থেকে কয়েকটিতে আমরা ইতোমধ্যে কাজ শুরু করে দিয়েছি। এগুলো সম্পন্ন করতে পারলে বিশ্বমানের প্রযুক্তি বাংলাদেশেই পাওয়া যাবে । এছাড়াও কাজ করবো বিদেশী বাজার বৃদ্ধি সহ স্থানীয় ত্রেতাদের আস্থা অর্জনে।

লুনা শামছুদ্দোহা

বেসিসের উন্নয়নে নিজের দীর্ঘ অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাবার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে উইন্ড অব চেইঞ্জ এর প্রধান লুনা শামছুদ্দোহা বলেন- আমি যেভাবে নিজের কোম্পানিকে এগিয়ে নিয়ে গেছি সেভাবে বেসিসের সদস্যভুক্ত কোম্পানিগুলোকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। বেসিস যে লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে তৈরি হয়েছিল সেই লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য থেকে অনেকটাই সরে গেছে। আমি বেসিসের সেই ভিত্তি, লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই। ফোকাস ইনিশিয়েটিভ ও যথাযথ রিসার্চ করে সেটা যদি সবার সাথে শেয়ার করা যায় তাহলে সকলেই উপকৃত হবে। তাই এটি আমার অন্যতম লক্ষ্য হবে। এছাড়া সচিবালয়কে শক্তিশালীকরণেরও উদ্যোগ নেয়া হবে। আমার আরেকটি লক্ষ্য হলো, বিদেশি কোম্পানির আধিপত্য কমানো। আমরা লোকাল সফটওয়্যার তৈরি করে বিদেশে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে কাজ করছি। সব জায়গায় টেকনোলজি এক, আমাদের দেশীয় কোম্পানিগুলোর সক্ষমতা রয়েছে, তাহলে আমাদের দেশে কেনো দেশি কোম্পানিকে বাদ দিয়ে বিদেশি কোম্পানিকে কাজ দেওয়া হচ্ছে? এই বিষয়টায় আমি গুরুত্ব  দিয়ে কাজ করতে চাই।

পূর্বেও সৈয়দ আলমাস কবির বেশ কয়েকবার বেসিসের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে পরিচালক হিসেবে নির্বাচিত হয়ে কাজ করেছেন সভাপতি, সহসভাপতিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে। সেই ক্ষেত্রে মোস্তফা রফিকুল ইসলাম এর আগেও নির্বাচন করেছেন। তবে লুনা শামসুদ্দোহা এবারই প্রথম অংশগ্রহণ করছেন বেসিস নির্বাচনে।

টিম দুজর্য়ের অন্যান্য প্রার্থীরা হলেন অ্যাটম এপি লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক এ কে এম আহমেদুল ইসলাম বাবু, এলিয়েন টেকনোলজি লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ আমিনউল্লাহ, সল্যুশন নাইন লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক শহিবুর রহমান খান রানা,স্টার হোস্ট আইটি লিমিটেডের চেয়ারম্যান কাজী জাহিদুল আলম, স্পিনঅফ  স্টুডিওর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এএসএম আসাদুজ্জামান, চালডাল লিমিটেডের প্রধান অপারেশন অফিসার (সিওও) জিয়াআশরাফ, রেইজ আইটি সল্যুশনস লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক কে. এ. এম. রাশেদুল মজিদ এবং জামান আইটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামরুজ্জামান  খান (জামান)।

'টিমহরাইজন' প্যানেলে রয়েছেন ইউওয়াই সিস্টেমস লিমিটেডের চেয়ারপারসন ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফারহানা এ রহমান, বিজনেস অটোমেশন লিমিটেডের পরিচালক শোয়েব আহমেদ মাসুদ, সফটপার্কের প্রধাননিবার্হী কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন ফারুক, জানালা বাংলাদেশ  লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক তামজিদ সিদ্দিক স্পন্দন, স্পেকট্রাম সফটওয়্যার অ্যান্ড কনসালটিং লিমিটেডের ম্যানেজিং পার্টনার মুশফিকুর রহমান, ক্রসওয়েস আইটি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহিম তানভীর আহমেদ, শুটিং স্টার লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক দিদারুল আলম এবং ড্রিম৭১ বাংলাদেশ লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক রাশাদ কবির।

উইন্ড অব চেইঞ্জের অন্যান্য  প্রার্থীরা হলেন  ড্যাফোডিল কম্পিউটার্স লিমিটেডের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ নুরুজ্জামান, ডিভাইন আইটি লিমিটেডের চেয়ারম্যান ইকবাল আহমেদ ফখরুল হাসান, এনরুট ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবু দাউদ খান, স্টার কম্পিউটার সিস্টেমস লিমিটেডের পরিচালক ও সিওও রেজওয়ানা খান, ইনোভেশন ইনফরমেশন সিস্টেম লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সানোয়ারুল ইসলাম, রাইট ব্রেইন সল্যুশন লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নূরমাহমুদ খান এবং এআর কমিনিকেশনসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এম আসিফুর রহমান।

এছাড়াও অ্যাসোসিয়েট সদস্য নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন  ৫জন  স্বতন্ত্র প্রার্থী। তারা হলেন - বেসিসের জেনারেল মেম্বার ইনফিনিটি টেকনোলজি ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের চেয়ারম্যান এএসএম জামালউদ্দিন, বেসিসের জেনারেল মেম্বার ম্যাক্স আইটির সত্ত্বাধিকারি মো. মাহাবুব হাসান, বেসিসের জেনারেল মেম্বার এসটিএম ভিশন ইনফোটেক লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক মো.এনামুল হক সুজন ,বেসিসের অ্যাসোসিয়েট মেম্বার আজকেরডিল ডটকম লিমিটেডের পরিচালক একেএম ফাহিম মাসরুর এবং বেসিসের অ্যাসোসিয়েট মেম্বার এইট পিয়ার্স সল্যুশনস লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক মো. শাহজালাল ।

উল্লেখ্য, আগামী ৩১ মার্চ সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বেসিসে ২০১৮-২০-এ ৯ সদস্য বিশিষ্ট কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচন্ অনুষ্ঠিত হবে।

" >

জমে উঠেছে বেসিস নির্বাচন আর মাত্র ৫ দিন বাকী

প্রকাশঃ ০৮:১৫ মিঃ, মার্চ ২৫, ২০১৮
Card image cap

স্থানীয় বাজার উন্নয়নে ১৯৯৭ সালে ১৮ জন সদস্য নিয়ে  প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ  অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) বর্তমানে এর সদস্য সংখ্যা ১০২৬ জন। এর মধ্যে নারী সদস্যের সংখ্যা ৩২ জন। দেশের  তথ্যপ্রযুক্তিখাতের উন্নয়নে এবং ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন পূরনে এই বাণিজ্যিক সংগঠনের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ন।

টেকওয়ার্ল্ড প্রতিনিধি:

আগামী ৩১ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে এই সংগঠনের ২০১৮-২০ সালের কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচন যা বর্তমানে দেশের তথ্যপ্রযুক্তিখাতে সবচেয়ে আলোচিত বিষয়। হবার কারন ও রয়েছে যথেষ্ট। এবারই সবচেয়ে বেশী প্রার্থী নির্বাচনে অংশগ্রহন করছেন, ঘোষিত প্যানেল সংখ্যা ও পূর্ববর্তী যেকোন নির্বাচন হতে বেশী। এছাড়াও নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন  ৫জন  স্বতন্ত্র প্রার্থী। নারীর অংশগ্রহন ও এবারই সর্বোচ্চ । সুতরাং প্রচার প্রচারণাও চলছে সমান তালে। আলোচনা সমালোচনা মিলিয়ে সংবাদ মাধ্যমে ও গুরত্বের সাথে বিবেচিত হচ্ছে বেসিসের এই নির্বাচন। টিম দুর্জয়, টিম হরাইজন এবং উইন্ড অব চেইঞ্জ  শিরোনামে তিনটি প্যানেলের  নেতৃত্বে আছেন ফ্লোরা টেলিকম লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক মোস্তফা রফিকুল ইসলাম ,মেট্রোনেট বাংলাদেশ লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ আলমাস কবীর এবং দোহাটেক নিউমিডিয়ার প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান লুনা শামসুদ্দোহা।

মোস্তফা রফিকুল ইসলাম

বেসিস নির্বাচনে ‘টিম দুর্জয়,  এর দলীয় প্রধান  মোস্তফা রফিকুল ইসলাম বলেন দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের উন্নয়নে তরুণ উদ্যোক্তাসহ ক্ষুদ্র-মাঝারি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। তাই এই ক্ষুদ্র উদ্যোগগুলোকে টেকসই করা জরুরী। তাই এই বিষয়টি নিয়ে কাজ করতে আমি আগ্রহী। তাদেরকে সবধরনের পরামর্শসহ সহজে আর্থিক সহায়তা প্রদানের জন্য দ্রুত ও সাহসী পদক্ষেপ নিয়ে কাজ করতে চাই। এছাড়াও আন্তর্জাতিক বাজার বিস্তারসহ স্থানীয় বাজারে সক্ষমতা অর্জনের বিষয়ে কাজ করবে টিম দুর্জয়।

এছাড়াও নতুন প্রজন্মকে আইসিটি ব্যবসায়ে উৎসাহিত করতে চাই। মূল্য সংযোজনসহ ব্যবসা সংক্রান্ত আইনগুলোর পরিবর্তন ও পরিমার্জনে সরকারের সহযোগীতা করতে চাই। দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে রপ্তানি পণ্য হিসেবে সুপ্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে কাজ করতে চাই। এছাড়া নির্দিষ্ট পরিকল্পনা গ্রহণ করে তা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সকলের সঙ্গে একীভূত হয়ে কাজ করতে চাই।

সৈয়দ আলমাস কবির

বেসিস নির্বাচনে ‘টিম হরাইজন’ এর কর্ণধার সৈয়দ আলমাস কবির বলেন,‘বেসিস এর সাবেক সভাপতি মোস্তাফা জব্বার আইসিটি মন্ত্রীর দায়ীত্ব গ্রহণের পর আমি বেসিসের সভাপতির দায়ীত্ব পেয়েছি। মাত্র দুই মাস সময় অতিক্রম করলাম। এই অল্প সময়ে আমি বিভিন্ন কার্যক্রম হাতে নিয়েছি। অনেকগুলো কাজ ইতোমধ্যে শেষ করেছি এবং অনেকগুলো প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। হাতে সময় পেলে খুব দ্রত এগুলো শেষ করতে পারবো। বাংলাদেশে আইসিটি খাত নতুন একটি খাত। এখানে যারা তথ্যপ্রযুক্তি নিয়ে কাজ করেন তারা বেশির ভাগই নতুন। এই নতুনদেরকে দক্ষ ও ব্যবসা সফল করে গড়ে তুলতে আমাদের কয়েকটি পরিকল্পনা আছে। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারলে দেশের আইসিটি খাত হবে একটি মজবুত খাত।  পরিকল্পনাগুলোর মধ্যে রয়েছে বেসিস সদস্যদের জন্য অফিস স্পেস বরাদ্দ করা, আর্থিক সহায়তা নিশ্চিত করা, ম্যানেজমেন্টে দক্ষ করে টিম তৈরি করে দেয়া, আইনী সহায়তা প্রদান করা, এনডিএ সম্পর্কে ধারনা দেয়া, ইন্টার অ্যাকচুয়াল প্রপার্টি (আইপি) সম্পর্কে অভিজ্ঞ করে তোলা, পণ্যে বিপণন ও সঠিক মার্কেটিং পলিসি সম্পর্কে ট্রেনিং প্রদান করাসহ আরো অনেকগুলো কাজ হাতে রয়েছে আমাদের। এগুলোর মধ্য থেকে কয়েকটিতে আমরা ইতোমধ্যে কাজ শুরু করে দিয়েছি। এগুলো সম্পন্ন করতে পারলে বিশ্বমানের প্রযুক্তি বাংলাদেশেই পাওয়া যাবে । এছাড়াও কাজ করবো বিদেশী বাজার বৃদ্ধি সহ স্থানীয় ত্রেতাদের আস্থা অর্জনে।

লুনা শামছুদ্দোহা

বেসিসের উন্নয়নে নিজের দীর্ঘ অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাবার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে উইন্ড অব চেইঞ্জ এর প্রধান লুনা শামছুদ্দোহা বলেন- আমি যেভাবে নিজের কোম্পানিকে এগিয়ে নিয়ে গেছি সেভাবে বেসিসের সদস্যভুক্ত কোম্পানিগুলোকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। বেসিস যে লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে তৈরি হয়েছিল সেই লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য থেকে অনেকটাই সরে গেছে। আমি বেসিসের সেই ভিত্তি, লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই। ফোকাস ইনিশিয়েটিভ ও যথাযথ রিসার্চ করে সেটা যদি সবার সাথে শেয়ার করা যায় তাহলে সকলেই উপকৃত হবে। তাই এটি আমার অন্যতম লক্ষ্য হবে। এছাড়া সচিবালয়কে শক্তিশালীকরণেরও উদ্যোগ নেয়া হবে। আমার আরেকটি লক্ষ্য হলো, বিদেশি কোম্পানির আধিপত্য কমানো। আমরা লোকাল সফটওয়্যার তৈরি করে বিদেশে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে কাজ করছি। সব জায়গায় টেকনোলজি এক, আমাদের দেশীয় কোম্পানিগুলোর সক্ষমতা রয়েছে, তাহলে আমাদের দেশে কেনো দেশি কোম্পানিকে বাদ দিয়ে বিদেশি কোম্পানিকে কাজ দেওয়া হচ্ছে? এই বিষয়টায় আমি গুরুত্ব  দিয়ে কাজ করতে চাই।

পূর্বেও সৈয়দ আলমাস কবির বেশ কয়েকবার বেসিসের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে পরিচালক হিসেবে নির্বাচিত হয়ে কাজ করেছেন সভাপতি, সহসভাপতিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে। সেই ক্ষেত্রে মোস্তফা রফিকুল ইসলাম এর আগেও নির্বাচন করেছেন। তবে লুনা শামসুদ্দোহা এবারই প্রথম অংশগ্রহণ করছেন বেসিস নির্বাচনে।

টিম দুজর্য়ের অন্যান্য প্রার্থীরা হলেন অ্যাটম এপি লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক এ কে এম আহমেদুল ইসলাম বাবু, এলিয়েন টেকনোলজি লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ আমিনউল্লাহ, সল্যুশন নাইন লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক শহিবুর রহমান খান রানা,স্টার হোস্ট আইটি লিমিটেডের চেয়ারম্যান কাজী জাহিদুল আলম, স্পিনঅফ  স্টুডিওর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এএসএম আসাদুজ্জামান, চালডাল লিমিটেডের প্রধান অপারেশন অফিসার (সিওও) জিয়াআশরাফ, রেইজ আইটি সল্যুশনস লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক কে. এ. এম. রাশেদুল মজিদ এবং জামান আইটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামরুজ্জামান  খান (জামান)।

'টিমহরাইজন' প্যানেলে রয়েছেন ইউওয়াই সিস্টেমস লিমিটেডের চেয়ারপারসন ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফারহানা এ রহমান, বিজনেস অটোমেশন লিমিটেডের পরিচালক শোয়েব আহমেদ মাসুদ, সফটপার্কের প্রধাননিবার্হী কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন ফারুক, জানালা বাংলাদেশ  লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক তামজিদ সিদ্দিক স্পন্দন, স্পেকট্রাম সফটওয়্যার অ্যান্ড কনসালটিং লিমিটেডের ম্যানেজিং পার্টনার মুশফিকুর রহমান, ক্রসওয়েস আইটি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহিম তানভীর আহমেদ, শুটিং স্টার লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক দিদারুল আলম এবং ড্রিম৭১ বাংলাদেশ লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক রাশাদ কবির।

উইন্ড অব চেইঞ্জের অন্যান্য  প্রার্থীরা হলেন  ড্যাফোডিল কম্পিউটার্স লিমিটেডের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ নুরুজ্জামান, ডিভাইন আইটি লিমিটেডের চেয়ারম্যান ইকবাল আহমেদ ফখরুল হাসান, এনরুট ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবু দাউদ খান, স্টার কম্পিউটার সিস্টেমস লিমিটেডের পরিচালক ও সিওও রেজওয়ানা খান, ইনোভেশন ইনফরমেশন সিস্টেম লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সানোয়ারুল ইসলাম, রাইট ব্রেইন সল্যুশন লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নূরমাহমুদ খান এবং এআর কমিনিকেশনসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এম আসিফুর রহমান।

এছাড়াও অ্যাসোসিয়েট সদস্য নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন  ৫জন  স্বতন্ত্র প্রার্থী। তারা হলেন - বেসিসের জেনারেল মেম্বার ইনফিনিটি টেকনোলজি ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের চেয়ারম্যান এএসএম জামালউদ্দিন, বেসিসের জেনারেল মেম্বার ম্যাক্স আইটির সত্ত্বাধিকারি মো. মাহাবুব হাসান, বেসিসের জেনারেল মেম্বার এসটিএম ভিশন ইনফোটেক লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক মো.এনামুল হক সুজন ,বেসিসের অ্যাসোসিয়েট মেম্বার আজকেরডিল ডটকম লিমিটেডের পরিচালক একেএম ফাহিম মাসরুর এবং বেসিসের অ্যাসোসিয়েট মেম্বার এইট পিয়ার্স সল্যুশনস লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক মো. শাহজালাল ।

উল্লেখ্য, আগামী ৩১ মার্চ সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বেসিসে ২০১৮-২০-এ ৯ সদস্য বিশিষ্ট কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচন্ অনুষ্ঠিত হবে।

সংবাদটি পঠিত হয়েছেঃ ২৭০ বার


মুখোমুখি

Card image cap
‘বাংলাদেশকেই হিটাচি পণ্যের বাজার হিসেবে অধিক সম্ভাবনাময় দেশ বলে মনে হয়’ - চেন টেক ব্যঙ্ক

হিটাচি হোম ইলেকট্রনিক্স এশিয়া প্রাইভেট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব চেন টেক ব্যঙ্ক প্রকৃতঅর্থে একজন বয়োজষ্ঠ্য, কিন্তু তার জ্ঞানের পরিধি এবং অক্লান্ত পরিশ্রম তার বয়সকেও হার মানিয়ে দেয়। আর সে কারণেই তিনি হয়ে ওঠেন এক অদম্য যুবকের সমতুল্য। তার আধুনিক ব্যবসায়িক চিন্তাধারা এশিয় অঞ্চলে হিটাচি পণ্য ও সেবার  বাজারের ব্যাপক প্রসার ঘটাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। বাংলাদেশে হিটাচি কোম্পানির ডিস্ট্রিবিউটর ইউনিক বিজনেস সিস্টেম লিমিটেড কর্তৃক আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে মাসিক টেকওয়ার্ল্ড পত্রিকার প্রতিনিধির জনাব চেন টেক ব্যঙ্ক এর সাক্ষাৎকার গ্রহণের সুযোগ হয়, যার উল্লেখযোগ্য অংশটুকু এখানে তুলে ধরা হলোঃ

প্রশ্নঃ সাধারণ